প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ৯:২৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
বঞ্চিত অবহেলিত কৃষকের শক্তি আগামীর বাংলাদেশ পাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের মুক্তি: মামুনুর রশিদ খান

দেশনায়ক তারেক রহমান দেশে থাকলে তিনিই মাঠ পর্যায়ে এসে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলতেন। তিনি বীরের বেশে দেশে ফিরে এসে কৃষকের অধিকার নিয়ে কাজ করবেন। তাই বঞ্চিত অবহেলিত কৃষকের শক্তিই আগামীর বাংলাদেশ পাবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের মুক্তি।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের শ্রীকোল স্কুল মাঠে বিশাল কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এবং কৃষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তিনি বলেন, দুর্বৃত্তায়ন ফ্যাসিস্ট পতিত হাসিনা সরকারের কাছে কেউ কোনদিন ভালো কিছু পাননি। শুধু পেয়েছে দুর্বীসহ জীবনযাপন। রাতে বিএনপির কেউ নিজ বাড়িতে ঘুমাতে পারত না। জঙ্গলে ও ধানের ক্ষেতে ঘুমাতে হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর জেলে রেখেছে। আ.লীগের রক্ত দুষিত রক্ত। সারে হাজার ক্ষ্যাত জয় আমেরিকা বসে ব্যাংকের টাকা লুটপাট করেছে। এখন ধরা খেয়েছে। আর কত মানুষের জীবন নিয়ে খেলবে?।
আওয়ামী আমলের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ১০ টাকা কেজি চাউল খাওয়াতে চেয়ে ৮০ টাকা কেজি চাউল খাওয়াইছে হাসিনা। বিএনপির আমলে সারের দাম ছিল ৭/৮ টাকা কেজি এখন সেটা ৫০ টাকা কেজি হয়েছে। স্বৈরাচাররা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হলেও ১৫ হাজার টাকা লোনের জন্য কৃষকের কোমড়ে দঁড়ি পড়েছে। কৃষককে ব্যাপক শোষণ করেছে। যত টাকা লুটপাট হয়েছে সব কৃষকের উপার্জিত টাকা। লুটপাট জেল-জরিমানা ছাড়া শেখ পরিবার কিছুই বোঝে না।
কৃষি ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি কৃষকের জন্য ১০০ কোটি টাকা লোন দেন। কৃষকের উন্নয়নের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনা হিসেবে তিনি অত্যাধুনিক কৃষি যন্ত্র আবিষ্কার করেন। আধুনিক টেকনোলজি ব্যবহার করে কৃষকের কাজকে সহজিকরণ করেন। কৃষককে রেহাই দিতে কৃষি হাজার হাজার কৃষকের লোন মওকুফ করে দেন। ২৫ বিঘা জমির মালিককে খাজনা দিতে হতো না। সব সময় কৃষক ও কৃষি উপকরণ নিয়ে জিয়াউর রহমান ভাবতেন। চরের উৎপাদিত ফসল যাতে সহজে শহরে পৌঁছানো যায় সেই ব্যবস্থাসহ যাবতীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিলেন তিনি। খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ করে পুরো দেশকে একটি ঘরে রুপান্তর করেছিলেন।

কৃষকদলের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদ জোয়ার্দারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি আবুল হাশেম এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসিফ, সিনিয়র সহ- সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান বাচ্চু যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক মুন্না,সাংগাঠনিক সাম্পাদক আমিরুল ইসলাম নিক্সন, সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্লা, পাবনা সদর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মো: সাইদুল ইসলাম ছাপ্পান, মফিজ উদ্দিন প্রমুখ :
Copyright © 2026 ডেইলি পাবনা. All rights reserved.