
প্রাণের টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে শ্লোগান সামনে রেখে উৎসবমূখর পরিবেশে নেচে গেয়ে আনন্দ উল্লাস, র্যালী ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে পাবনা সদর উপজেলার এতিহ্যবাহী দোগাছি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে প্রথমবারের মত ঈদ পুণর্মিলনী উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (০৯ জুন) দিনব্যাপী দোগাছী উচ্চ বিদ্যালয় এবং কলেজ মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিনটি উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করা হয়। এরপর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন হয়। অতিথিরা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলেন, আজকের এইদিনটি খুবই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই প্রথম আমরা দোগাছী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সব বন্ধু-বান্ধবীরা একসঙ্গে মিলন মেলায় শরিক হয়েছি। খুবই ভালো লাগছে। অনেক পুরনো বন্ধুরা এসেছে। দারুণ মজা করছি। অনেক বছর পর হলেও সবার সঙ্গে দেখা হয়েছে, হয়েছে কথা। কুশলাদি বিনিময়ের মাধ্যমে বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট হয়ে গেল। এই ধরনের অনুষ্ঠান আমরা প্রতি বছরই আয়োজন করতে চাই।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রধান কর কর্মকর্তা আলহাজ্ব ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে ও ঢাকা সুপ্রিমকোর্ট হাইকোর্টের এডভোকেট ফিরোজ মন্ডল ও পাবনার বিশেষ জজ আদালতের পেশকার মহব্বত আলী আশিক সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, মর্জিনা লতিফ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, গিভেন্সী গ্রুপের পরিচালক ও খতিব আব্দুল জাহিদ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সভাপতি খাতিব আব্দুল জাহিদ মুকুল,কাশিনাথপুর ডায়াগনস্টিকের পরিচালক ডা. আনোয়ার ইসলাম খোকন।

এছাড়াও ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিউমাটোলজী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো: আবু শাহীন, রাজশাহী মেডিকেলের সার্জারী ওয়াডের ডা. শফিউল আজম, জয়পুরহাটের যুগ্ম জেলা ও দাযরা জজ আবু খান শাহীন কনক, দোগাছী পুর্বপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি সৈয়দ ইকরামুল হক, পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক মাহমুদুন্নবী স্বপন, হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট শহীদুল্লাহ্ জাকির, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসিমা খানম, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কামরুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন, দোগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু খান মোস্তফা বাচ্চু।
আয়োজকরা জানান, পোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে এক প্রায় দুইমাস ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সকলের রেজিষ্ট্রেশন কম্প্লিট করা হয়েছে। দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা সবাই অনেক পরিশ্রম করে আজকের পোগ্রাম বাস্তবায়ন করলাম। খুবই দারুণভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। সকালে বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথিরা শৈশবের স্মৃতিচারণ করেন। শিক্ষার্থীরাও এখানে পড়াশোনা জীবনের গল্প তুলে ধরেন। এরপর র্যাফেল ড্র, এরপুর দুপুরের খাওয়া শেষে পাবনা ও ঢাকা থেকে আগত শিল্পীদের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।