
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও নাশকতার মামলায় গত কয়েকদিনে পাবনায় বিএনপি-জামায়াতের ১৯১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পাবনা সদর থানার ওসি রওশন আলী বলেন, আন্দোলনের নামে ভাঙচুর, যান-বাহনে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর আঘাতের অভিযোগে পাবনায় মোট ১৪টি মামলা হয়েছে। এসব মামলার আসামি হিসেবে ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিএনপি-জামায়াতের নাশকতাকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
আন্দোলনে অর্থের যোগান দেওয়ার অভিযোগে রাজিবুল হাসান রাজিব নামে এক ঠিকাদার, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর ও জামায়াত নেতা দৌলত মেম্বরকে আটক করেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা বিএনপির এক নেতা বলেন, এই সরকারের পেটোয়া বাহিনী অন্যায়ভাবে নিরীহ নেতাকর্মীদের আটক করে মারপিট করে জেলে দিচ্ছে। পুলিশের হাতে আটক হলেই তার নামে দেওয়া হচ্ছে নাশকতার মামলা। এজন্য তাদের অধিকাংশ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে দাবি তার।
এদিকে পাবনার পুলিশ সুপার মো. আব্দুল আহাদ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার ১১টি থানা এলাকা থেকে ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে পাবনা সদর থানায় নয়, সুজানগর, আমিনপুর ও ঈশ্বরদীতে চার জন করে, আটঘরিয়ায় ও সাঁথিয়া থানায় দুজন করে, চাটমোহরে তিনজন, বেড়ায় দুজন ও ফরিদপুর, ভাঙ্গুড়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় একজন গ্রেপ্তার হন।
নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না দাবি করে পুলিশ সুপার বলেন, “গোপন প্রতিবেদনে অর্থ সহায়তাসহ নানা সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।”