শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে দেখা করে তাদের পূজা উদযাপনের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকল বিভাজন প্রতিহত করে সম্প্রীতির বার্তা প্রদান করেন।
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন তাকে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হন এবং সাদরে অভিবাদন জানান। তিনি তাদের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। এই সময় তিনি স্থানীয় আনসার বাহিনীর সদস্যদের সাথেও মতবিনিময় করেন এবং পূজা উদযাপনের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সাতবাড়িয়া, ভায়না ও পৌরসভার সহ নিকটস্থ অন্যান্য এলাকার স্থানীয় জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন। স্থানীয় জনগণ এলাকার সার্বিক চিত্র ও বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। দায়িত্বে থাকা জামায়াত নেতাকর্মীদের ফোন নম্বর ও তালিকা তুলে দেন। যেকোন সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করার আহবান জানিয়েছেন।

অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন বলেন, “আমরা সবাই একসঙ্গে এই দেশকে ভালোবাসি এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একে অপরের পাশে থাকবো। কেউ যদি এই সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করে, আমরা তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো।” কেউ যদি সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার চেষ্টা করে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
তার এই সফর এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জনগণের প্রতি তিনি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন, জনগণও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইনসাফ, শান্তি ও সমৃদ্ধির সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।