পাবনা আইডিয়াল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. উমা রায়ের সভাপতিত্বে ও পাবনা আইডিয়াল নার্সিং কলেজের পরিচালক আবু দাউদের ব্যবস্থাপনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, পাবনা ইসলামীয়া ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা মো ইকবাল হোসাইন। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তিই উত্তম যার মাধ্যমে মানবতার কাজ হয়। সব জায়গায় মানবতার কাজে মানুষকে বিলিয়ে দিতে হবে। বিদেশের হাসপাতালগুলোতে নার্সরা সারারাত ধরে না ঘুমিয়ে সেবা দেয়। পৃথিবীর অনেক হাসপাতালে অনেক নার্স দেখেছি যাদের কোন রাগ নেই আবার ধৈর্য হারাও নয়। আনন্দসহ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
বিদেশে সেবার মান অনেক উন্নত। নার্সরা প্রতিটি রোগীর কাছে গিয়ে সেবা দেয়। বাংলাদেশেও বর্তমান নার্সিং পেশা স্বীকৃত পেশা। একজন মানুষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়লে যে ছাওয়াব পাওয়া যায়, একজন রোগী রাত জেগে রোগীকে সেবা দিলে তাহাজ্জুদের চেয়ে বেশি ছাওয়াব পাওয়া যাবে। দেশের সেবার মান আন্তর্জাতিক মানে পরিনত করতে হবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাবনা পদ্মা কলেজের অধ্যাপক ও পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল গাফ্ফার খান, পাবনা মেডিকেল কলেজের অধক্ষ অধ্যপক, ডা. মোঃ রুহুল কুদ্দুস।
প্রধান বক্তা ছিলেন, পাবনা আইডিয়াল শিক্ষা গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল ওয়াদুদ।
এসময় আরও বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. রফিকুল হাসান, পাবনা মেডিকেল কলেজের এ্যানেসথেসিওলজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, পাবনা নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ দরিয়াতুন নূর, পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক, নার্গিস বানু, পাবনা মানসিক হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক রেখা খাতুন, পাবনা আইডিয়াল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান বেলাল হাসান রাজু, পাবনা আইডিয়াল ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক জহিরুল ইসলাম, ম্যাটস এন্ড আইএমটির পরিচালক সিরাজুল ইসলাম, ঈশ্বরদী আইডিয়াল নার্সিং ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ হোসনে আরা প্রমুখ।
এসময় নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় আর বিদায়ীদের ক্রেষ্ট দেওয়া হয়। শিক্ষকদের পুরস্কার দেওয়া হয়।