
পাবনা সদরের চরতারাপুর ইউনিয়নের তারাবাড়িয়া মাদরাসা হাটে কোরবানির পশুর হাটের সরকারি নির্ধারিত রেটের চিঠি না পেয়ে হাট কমিটির অজান্তে কিছুটা অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের পর থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের চিঠি পাওয়ার পর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী খাজনা আদায় করা হচ্ছে। পরিপূর্ণ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ও প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাট পরিচালনা করা হচ্ছে। জনগণকে বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলার আহবান হাট কর্তৃপক্ষের।
সোমবার (০২ জুন) রাতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, তারাবাড়িয়া হাটের ইজারাদার রইজ উদ্দিন বিশ্বাস।
তিনি বলেন, সম্পুর্ণ একটি ভূল বোঝাবুঝির জন্য অজ্ঞাত থাকায় হাট কমিটির অজান্তে কিছুটা বেশি টাকা খাজনা আদায় হয়ে গেছে। যেটা আমরা বুঝতে পারিনি। আমাদের অজানাতেই বিষয়টি হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলার আহবান জানাচ্ছি। ভুলভ্রান্তি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি। মানুষ মাত্রই ভূল করে থাকে। এরপর কিছুটা অসঙ্গতি দেখতে পেয়ে পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্যার আমাদের হাটে এসে সরকারি রেটের চিঠি দিয়ে গেছেন। সেই অনুযায়ী নির্দেশনাও দিয়ে গেছেন। এরপর বিষয়টি বুঝতে পেরে সংশোধন করে সরকারি সঠিক নিয়মে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। ছোট গরুর ৪৪০ টাকা, বড় গরুর ৬৫০ টাকা, মহিষ ৭৫০ টাকা ও ছাগল ২৪০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। আশা করি ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটেছে। পাশাপাশি আমরা অনিয়ম ঠেকাতে মাইকিংও করতেছি।
তিনি আরও বলেন, এই হাটের একটি ঐতিহ্য আছে সেটা হলো এখানে সারা বছরই খাজনা কম আদায় করা হয়ে থাকে। এজন্য ক্রেতা ও বিক্রেতারা শ্বাস ছন্দে হাটে আসেন। খাজনা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকে। খুব অল্প দিনেই আমাদের হাটটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমরা আরও অনেক কিছুরই খাজনাই আদায় করি না। সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাকে অনেক কিছুুই ছাড় দিয়ে থাকি। জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পাবনাবাসীর নিকট সহযোগিতা কামনা করছি।
আপনারা সবাই কোন প্রকার সংকোচ ছাড়াই আগামী বুধবারে আমাদের হাটে চলে আসবেন। খুব সুন্দর পরিবেশ বজায় রয়েছে। সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোন প্রকার গুজব ও বিভ্রান্তীতে কান না দেওয়ার অনুরোধ। ক্রেতা বিক্রেতা ও সাধারণ মানুষ সবাইকে সুন্দরভাবে হাট পরিচালনা করতে সহযোগিতার আশা করেন তিনি। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
(নিবেদক)
মো: রইজ উদ্দিন বিশ্বাস
তারাবাড়িয়া মাদরাসা হাট ইজারাদার
চরতারাপুর, পাবনা সদর, পাবনা।