
নিজস্ব প্রতিনিধি: পাবনার গণমাধ্যম অঙ্গনের সুপরিচিত মুখ, পাবনা প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্য এবং ৭১ টেলিভিশন ও বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান রাসেল গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে অবস্থিত খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার আকস্মিক অসুস্থতার খবরে সহকর্মী সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় তাকে জরুরি ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে অবস্থিত খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পরপরই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়। রোগীর এটেনডেন্ট ও তার ভাই বাবু জানান, চিকিৎসকরা রাসেলের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। আল্লাহর অশেষ রহমতে বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে আগামী ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে (Observation) রাখা হয়েছে। এ সময়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছেন চিকিৎসকরা।
দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত মুস্তাফিজুর রহমান রাসেল পাবনার গণমাধ্যম অঙ্গনে একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ। তার অসুস্থতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা হাসপাতালে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন।
রাসেলের পরিবার জানিয়েছে, এই কঠিন সময়ে সবার আন্তরিক দোয়া ও সহযোগিতা তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তারা দেশ-বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তার দ্রুত সুস্থতা ও পূর্ণ রোগমুক্তির জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া কামনা করেছেন।
মহান আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা—তিনি যেন সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান রাসেলকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন, তাকে সকল শারীরিক জটিলতা থেকে মুক্তি দিয়ে পরিবার, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে সুস্থভাবে ফিরিয়ে দেন। আমিন।