অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী ইব্রাহিম খলিল আইনুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক, পাবনা ইসলামীয়া ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ আলহাজ্ব মাওলানা মো. ইকবাল হোসাইন।
প্রধান তাফসির কারক ছিলেন, আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান, পদ্মা কলেজের সহকারী অধ্যাপক বিশিষ্ট ইসলামীক চিন্তাবিদ মাওলানা মো. আব্দুল গাফফার খান।
অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ ইসলামীক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে পাবনা অনির্বান শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীরা।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা পদ্মা কলেজের সহকারী অধ্যাপক বিশিষ্ট ইসলামীক চিন্তাবিদ মাওলানা মো.আব্দুল গাফ্ফার খান বলেন, মহান আল্লাহ বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ(সা.) কে বিশ্বজগতের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন।
জীবনের সকল পর্যায়ে তিনি অনুকরণীয় আদর্শ রেখে গেছেন। তাঁর জীবনাদর্শ মনে ধারণ করে এবং অনুকরণ করে মানসিক শান্তি অর্জন করার পাশাপাশি সমাজে ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এ সময় তিনি আরো বলেন, রাসুলের (সা.) সিরাত উদযাপন তখনই স্বার্থক হবে যখন একজন মুসলমান হিসেবে আমরা রাসুলের (সা.) দিকনির্দেশনাসমূহকে আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারব।
আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা জহুরুল ইসলাম খান বলেন, মানুষের মুক্তির জন্য হজরত মুহাম্মদ (সা.) যে জীবন ব্যবস্থা নিয়ে এসেছিলেন তা সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারব। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে বাঁচতে আমাদের ফিরে যেতে হবে রাসুল (সা.)-এর দেখানো সুমহান আদর্শের দিকে। অন্য কোনো মত বা পথ এদেশে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারবে না।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক, পাবনা ইসলামী ফাজিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ আলহাজ্ব মাওলানা মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, বলেন, মক্কা-মদিনায় যে আদর্শ প্রিয় রাসুল (সা.) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তার ফল পুরো পৃথিবীবাসী পেয়েছে। আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশর প্রতিটি সমাজ ও রাষ্ট্রে মুহাম্মদের (সা.) আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই এক নিমিষেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে ইনশআল্লাহ। এ সময় তিনি আরো বলেন,মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ১২ রবিউল আউয়ালে জন্ম ও ওফাত হয়েছিল। আবার মদিনায় ইসলামী সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠার সূচনা যে হিজরত, তাও সংঘটিত হয়েছিল এ মাসেই। হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার রিসালাতের দায়িত্ব সম্পন্ন করেন দীর্ঘ ২৩ বছর জীবনে। তার জীবনাদর্শে রয়েছে পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। সিরাতুন্নবী (সা.) অর্থাৎ নবী (সা.)-এর জীবন চরিত্র থেকে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সত্য ও ন্যায়-ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য রাসুলের (সা.) সিরাতকে অনুসরণ করে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, মাওলানা শহিদুল ইসলাম।
এ সসয় আরও উপস্থিত ছিলেন, সেন্দ্রাল গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক আব্দুর রব, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পাবনা জেলা শাখার সেক্রেটারি বদিউজ্জামাল বিপ্লব, মালিগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মুন্তাজ আলী, সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফ আলী প্রমুখ।